নীল আর্মস্ট্রং কি সত্যিই চাঁদে পৌঁছাতে পেরেছিলেন? আসল সত্যিটা জানলে অবাক হবেন, এখনি ক্লিক করুন নীচের লিঙ্কে

0
623

মানব ইতিহাসে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সাল হলো ১৯৬৯।কারণ এই বছরই ২০ই জুলাই মানুষ প্রথমবারের মতো চন্দ্র বিজয় করে অর্থাৎ চাঁদে পা রাখে।নাসার তৈরী অ্যাপোলো ১১ নামক একটি মহাকাশযানে চড়ে সেদিন চাঁদে প্রথমবারের মতো পা দিয়েছিলেন তিনজন ব্যক্তি।এরা হলে নীল আর্মস্ট্রং,মাইকেল কলিন্স ও ব্রুশ অলড্রিন।চাঁদে অবতারণের মিশন সফল হওয়ার জন্য এই দিনটি ছিলো মানব ইতিহাসের সবচেয়ে খুশীর দিন।

যে চাঁদকে আমরা রাতের আকাশে জ্বল জ্বল করে দেখতে পাই সেখানে পৌঁছানো সত্যিই রোমাঞ্চকর ব্যাপার।চাঁদে মানুষ পাঠানোর মিশন সফল হওয়ার জন্য আমেরিকা বিশ্বের দরবারে একটি সম্মানীয় স্থান লাভ করে।মানুষের দ্বারা কোনো কিছুই যে অসম্ভব নয়, এটিই ছিলো তার জলজ্যান্ত প্রমাণ।আমরা এতদিন টিভি,রেডিও এছাড়া বইতে মানুষের চন্দ্র বিজয়ের গল্প পড়ে প্রভাবিত হয়ে এসেছি।কিন্তু আপনি কি জানেন মানুষের এই চন্দ্রজয়ের গল্প ছিলো সবচেয়ে বড়ো রহস্য।

চাঁদে মানুষ পাঠিয়ে আমেরিকা বিশ্বের দরবারে সম্মানিয় স্থানে পূজিত হলেও জাপান,চীন,রাশিয়া এছাড়া ভারতীয় বিজ্ঞানীদের মতে এখনো পর্যন্ত মানুষ চাঁদে পৌঁছাতে পারেনি। তাদের মতে নাসার দ্বারা চাঁদে মানুষ পাঠানোর গঠনা ছিলো নিতান্ত একটি ছক।তারা নীল আর্মস্ট্রং এর চাঁদে পৌঁছানোর ঘটনাকে সিনেমা বলে দাবি করেছেন।মার্কিনিরা বিশ্বের কাছে নিজেদের উচ্চস্তরে প্রতিষ্ঠা করার জন্যই এই কাটো কষেছিলো।তারা এই চাঁদে যাওয়ার ঘটনাকে সম্পূর্ণ সিনেমার স্ক্রিপ্ট বলে দাবি করেছেন।কিছু বিজ্ঞানীর মতে এই চাঁদে যাওয়ার নাটকের শ্যুটিং কোনো দুর্গম মরু অঞ্চলে করা হয়েছিলো।যাতে কেউ বুঝতে না পারে সেটি নিতান্তই একটি ছক।হলিউড পরিচালকরা তাদের সিনেমাতে যেসব অবিশ্বাস্য সিন দেখায় তাতে তাদের পক্ষে এই সামান্য দৃশ্য বানানো কোনো ব্যাপারই নয়।এই মিথ্যা কাহীনি বানানো পরিচালকের নামও আবার ফাঁস হয়ে গিয়েছে।এই শ্যুটিং পরিচালক ছিলেন নাকি স্ট্যানলি কুবরিক।

বিজ্ঞানীরা নাসা’র সমালোচনা করে বলেন ১৯৬৯ সালে নাসা’র এমন কোনও উন্নত প্রযুক্তি ছিল না যাদ্বারা মানুষ চাঁদে গমন করতে পারে। এপোলো-১১ নামের মহাকাশ যানটি ছিল সাজানো নাটকের অংশ। ১৯৬৯ সালে যদি সত্যিই মার্কিনরা চাঁদে মানুষ পাঠিয়ে থাকে তাহলে তারপর আরও প্রায় ৫০ বছর অতিবাহিত হলেও তারা আর দ্বিতীয়বার চাঁদেমানুষ পাঠাতে পারছে না কেন? ১৯৬৯ সালের চেয়ে বর্তমান আমেরিকা আরও অনেক বেশী উন্নত, ১৯৬৯ সালের চেয়ে এখন নাসা’র কাছে আরও উন্নত প্রযুক্তির বিভিন্ন মহাকাশ যান আছে তবে এখন তারা চাঁদে আর মানুষ পাঠাতে পারছে না কেন?

মানুষ সত্যিই চাঁদে গেছে নাকি এটা বিশ্বের মানুষের সাথে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় প্রতারণা সেটা আরও বেশী ঘনীভূত হয় মার্কিন রকেট প্রযুক্তি তত্ত্বের প্রবক্তা বিল কেসিং এর বক্তব্যের পর। ১৯৭৪ সালে তিনি একটি বই লেখেন “আমেরিকার ৩০ বিলিয়ন ডলারের জোচ্চুরি” শিরোনামে। এই গ্রন্থে তিনি উল্লেখ করেন আমরা কখনই চাঁদে যায়নি। চাঁদেযাওয়ার বিষয়টি ছিল বিশ্ববাসীর সাথে প্রতারণা। তিনি আরও উল্লেখ করেন এপোলো-১১ মহাকাশ যানটি উৎক্ষেপণেরকিছু সময় পর যানটি অদৃশ্য হয়ে যায়। এরপর তিন নভোচারী বিশিষ্ট লুনার ক্যাপসুলটি একটিসামরিক কার্গো বিমানে সরিয়ে ফেলা হয় এবং আট দিন পর ক্যাপসুলটি প্রশান্ত মহাসাগরে ফেলে দেয়া হয়। তারপর নভোচারীদের নিয়ে নেভাদার মরুভূমিতে কঠোর সামরিক প্রহরার মধ্য দিয়ে চন্দ্র বিজয়ের নাটকটি মঞ্চস্থ করা হয়।

মহাকাশচারীরা চাঁদে অবতরণ করার পর সেখানে তাদের কয়েকটি ছবি ও ভিডিও তোলা হয় এবং চন্দ্র থেকে তারা কয়েকটি পাথর সংগ্রহ করে নিয়ে আসেন। এই ছবি, ভিডিও ও পাথরগুলো তাদের সত্যিকারের চাঁদে যাওয়ার প্রমাণ বহন করে। কিন্তু বিরুদ্ধবাদীরা চাদের এই ছবি ও পাথর নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। তারা চন্দ্র বিজয়কে সাজানো নাটক হিসেবে প্রমাণের জন্য বেশ কয়েকটি যুক্তি উপস্থাপন করেছেন।পৃথিবী থেকে আমরা রাতের আকাশে নক্ষত্র বা তারকা দেখতে পায় সুতরাং চাদের রাতের আকাশে তারকাগুলোকে আরও উজ্জ্বল দেখানোর কথা। কিন্তু নভোচারীরা চাঁদে গিয়ে যে ছবি গুলো তুলেছেন তাতে কোনও ছবিতে চাঁদের আকাশে তারকা দেখা যাচ্ছে না।

চাঁদ থেকে ফেরার পর মহাকাশচারীরা বলেছিল সেখানে কোনও অক্সিজেন বা বাতাস নেই ফলে সেখানে স্বাভাবিক অবস্থায় এক মিনিটও বাচা সম্ভব নয়। কিন্তু চাঁদে থাকতে মহাকাশচারীদের যে ছবি তোলা হয়েছিল তাতে দেখা যায় চাঁদে তাদের পুতে রাখা মার্কিন পতাকা বাতাসে উড়ছে। তাহলে চাঁদে বাতাস না থাকলে তাদের পতাকা বাতাসে উড়ছিল কিভাবে। সেটা কি তাহলে পৃথিবীর বাতাসছিল!ছবিতে দেখা যায় নভোচারীরা যেখানে অবতরণ করেছিলেন সেখানে পাশাপাশি বস্তুগুলোর ছায়া পরস্পরকে ছেদ করেছে এবং বিভিন্ন বস্তুর ছায়া বিভিন্ন দিকে গেছে। কিন্তুচাঁদে শুধুমাত্র আলোর উৎস সূর্য হয়ে থাকলে বস্তুর ছায়া পরস্পরকে ছেদ না করে সমান্তরাল হওয়ার কথা। তাহলে কি সেখানে শুটিং করার সময় কৃত্রিম আলো ব্যবহার করা হয়েছিল!

মানব ইতিহাসে চন্দ্র বিজয় ছিল সবচেয়ে বড় ঘটনা তারপরও এই অভিযানের টেলিমেট্রি ডাটা পরে আর খুঁজে পাওয়া যায়নি। অবশ্য নাসা বলেছিল এই ডাটা তাদের কাছ থেকে হারিয়ে গেছে। কিন্তু এমন গুরুত্বপূর্ণঐতিহাসিক ডাটা তাদের নিকট থেকে কিভাবে হারিয়ে যায় সেটা একটি প্রশ্নের বিষয়।
এই সকল বিষয়গুলো ছাড়াও ছোট খাটো অনেক অমীমাংসিত প্রশ্ন লুকিয়ে আছে চন্দ্র বিজয় কাহিনীতে।

চন্দ্র বিজয় কর্মকাণ্ডেজড়িত নভোচারীদের মধ্য থেকে গাস গ্রিসাম নামক এক নভোচারী চন্দ্র জয়ের পর নিহত হন। ধারনা করা হয় তিনি আমেরিকার এই প্রতারণার কথা বিশ্বকে জানিয়ে দিতে চেয়েছিলেন তাই তাকে কৌশলে হত্যা করা হয়েছিল। কারোও কারোও মতে চন্দ্র বিজয়ের এই নাটক মঞ্চস্থ করা হয়েছিল মার্কিন ঘাটি‘এরিয়া৫১’তে। যে ঘাটিটি এতোটাই সুরক্ষিত যে কোনও সাধারণ মানুষকে সেখানে কখনও ঢুকতে দেয়া হয় না। এমনকি এই ঘাটির পাশ দিয়েও কেউ গেলে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়।

চন্দ্র জয়ের বিরুদ্ধে এই সকল প্রমাণ ও যুক্তি উপস্থাপনের পর চন্দ্র জয় নিয়ে শুরু হয়েছেকৌতূহল। মার্কিনরা সত্যিই কি চন্দ্র জয় করতেসক্ষম হয়েছিল নাকি এটা ছিল নিছক একটা প্রতারণা। তাই মহাবিশ্বের অন্যতম একটি প্রধান রহস্য এখন চন্দ্র বিজয়।চন্দ্র বিজয় মিথ্যা প্রমাণকারী বিজ্ঞানীদের যুক্তির জবাবে নাসা তাদের বক্তব্যও প্রদান করেছে। স্বভাবসুলভ ভাবে নাসা তাদের উত্তরে বলেছে চন্দ্র বিজয় ছিল সত্য এবং এটি মানুষের এক মহা বিজয়। তারা বলেন চাদের আকাশে তারকা দেখতে না পাওয়াটা ছিল প্রযুক্তিগত ত্রুটি। নভোচারীদের এত উজ্জ্বলস্পেস স্যুট পরিধান করা ছিল যে, সেটার উজ্জ্বলতার কারণে হয়তো ক্যামেরায় তারকার ছবি ধরা পড়েনি।

পতাকা উড়ার বিষয়ে তারা বলেন, চাঁদে বাতাস নেই তবে সেখানে এমন জিনিস থাকতে পারে যা দ্বারা পতাকা উড়েছে। পতাকা উড়ার জন্য যে শুধুমাত্র বাতাসের দরকার হবে তা কিন্তু নয় অন্য বায়বীয় পদার্থের দ্বারাও পতাকা উড়তে পারে। নাসা’র বিজ্ঞানীরা বলেন, চাঁদে যদি সত্যিই বাতাসথাকতো তাহলে পতাকা উড়ার সাথে সাথে সেখানের বালি বা ধুলো উড়তেও দেখা যেত, কিন্তু কোনও ছবি বা ভিডিওতে বাতাসে ধুলো উড়তে দেখা যায় নি।

নাসা’র স্পেস বিজ্ঞানীরা বলেন, মানুষ যে চাঁদে গিয়েছে তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ চাঁদ থেকে নিয়ে আসা পাথর। নাসা’র স্পেস সেন্টারের বিজ্ঞানী ড. ডেভিড ম্যাক বলেছেন, চাঁদ থেকে যে পাথরগুলো আনা হয়েছে সেগুলো পৃথিবীর পাথর থেকে ভিন্ন। চাদের পাথরের স্ফটিক কাঠামোতে পানির অস্তিত্ব নেই বললেই চলে, তাছাড়া পৃথিবীর পাথরে যেমন খনিজ পদার্থ ও কাদা-মাটির অংশ থাকে চাদের পাথরে এগুলো সম্পূর্ণ অনুপস্থিত। চাঁদ থেকে নিয়ে আসা পাথরগুলো পরীক্ষা করে পাওয়া গেছে তিন মিলিয়ন বছর পূর্বের অগ্নুৎপাতের প্রমাণ। এছাড়াও এই পাথরে বিশেষ ধরনের কাচের সন্ধান পাওয়া গেছে যা পৃথিবীর পাথর সমূহে পাওয়া যায় না। অবশ্য চন্দ্র বিজয় বিরোধী বিজ্ঞানীরা বলেন চন্দ্র বিজয়কে প্রমাণের জন্য পাথর সম্পর্কে নাসা’র পরীক্ষার ফলও সাজানো হতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here