শুনুন বীর সৈনিক হরভজন সিং এর কাহিনী, আপনাদের সুরক্ষার জন্য যে নিজের জীবন বলি দিয়েছিলেন, আসুন জানুন নীচের লিঙ্কে ক্লিক করে

0
1004

http://kolkatafeed.com/wp-content/uploads/2017/11/5194616073_f90b1e5da5_b.jpg

শুনুন বীর সৈনিক হরভজন সিং এর কাহিনী, আপনাদের সুরক্ষার জন্য যে নিজের জীবন বলি দিয়েছিলেন, আসুন জানুন নীচের লিঙ্কে ক্লিক করে

http://kolkatafeed.com/wp-content/uploads/2017/11/Baba_Mandir_-_View_Outside.jpg

১৯৬৮ সালে শহীদ হন পাঞ্জাব রেজিমেন্টের সেনা জাওয়ান হরভজন সিং।মৃত্যুর এত বছর কেটে যাওয়ার পরও তিনি আজও মানুষের মনে আজও বেঁচে আছেন।https://media-cdn.tripadvisor.com/media/photo-s/07/96/eb/69/baba-harbhajan-singh.jpgমৃত্যুর পরেও সে তার নিজের কর্তব্য সমানভাবে পালন করছেন।এই বিশ্বাসের ওপর ভর করেই আজও তার পরিবার সেনাদের কাছ থেকে যাবতীয় সুযোগ সুবিধা ও পারশ্রমিক পায় তার পরিবার।

http://kolkatafeed.com/wp-content/uploads/2017/11/18_02_2017-armytemple.jpg

১৯৬৮ সালে তুষাধরে প্রাণ হারান হরভজন।দীর্ঘক্ষণ তাকে খোঁজা হলেও তার দেহ উদ্ধার করা যায়নি।জানা যায় তার এক সহকর্মীর স্বপ্নে এসে নিজের দেহের সন্ধান দেন হরভজন।তারপরই সেখান থেকে তার দেহ খুঁজে পাওয়া যায়।http://images.patrika.com/mediafiles/2016/02/14/baba-harbhajan-singh-56c073094b281_l.jpgএই ঘটনার পরই নাথুলা সংলগ্ন অঞ্চলে হরভজন সিং এর স্মৃতিতে মন্দির তৈরী করেন ভারতীয় সেনা।এই মন্দিরে রয়েছে তার পোশাক ও জুতো।http://aumamen.com/s/i/s/h/shrine-of-baba-harbhajan-outside.jpgযেগুলি এখনো নিয়মিতভাবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা হয়।সেখানকার বাসিন্দাদের মতে তিনি নাকি এখনো জ্যোৎস্নাভেজা রাতে ঘোড়া নিয়ে এদিক ওদিক টহল দেন।

http://kolkatafeed.com/wp-content/uploads/2017/11/8089801970_fb0ef6f20b_b.jpg

শুধু ভারতীয় সেনারা নন ওদিকের চীনা সৈন্যদের মুখেও তার আত্মার কথা শোনা গেছে।ভারতীয় সৈন্যদের আজও তিনি স্বপ্নে পরামর্শ দেন ঠিক কোন পথে চীনা সৈন্যরা আক্রমণ চালাতে পারে।মৃত্যুর পর তাকে সম্মান জানাতে কর্ণেল পদে উন্নিত করার সিদ্ধান্ত নেন ভারত সরকার।গতবছর অবসর নিয়েছেন তিনি।https://4.bp.blogspot.com/-XsYfk4z_9Go/WFt3eyY4LqI/AAAAAAAAC5g/pZKmBJwOt74k1AziQOOtghnK4nS96hL9wCLcB/s1600/baba-harbhajan-singh-5.jpgআগে এক মাস ছুটি পেতেন।মালপত্র ভর্তি গাড়ি কাপুরথালায় যেতো আবার এক মাস পর ফিরে আসতো।তাঁর অস্তিত্ব সজীব চিনের কাছেও।প্রতি মাসে একবার নাথুলায় ফ্ল্যাগ মিটিং হয় দু দেশের।তখন একটি চেয়ার রাখা হয় হরভজন সিং-এর নামে।

http://kolkatafeed.com/wp-content/uploads/2017/11/Baba_Harbhajan_Singh_Plaque.jpgহরভজন সিংয়ের অবসরে যাওয়ার বয়স হওয়ার আগে পর্যন্ত তার বাড়িতে বেতনের চেক পৌঁছে দিত ভারতীয় সেনাবাহিনী। মৃত্যুর পর তাকে ক্যাপ্টেন পদেও উন্নীত করা হয়।সমাধির সঙ্গে বানানো হরভজন সিংয়ের বিশ্রাম কক্ষের বিছানার চাদর প্রতিদিন এমন হয়ে থাকে, যা দেখে অনেকেরই মনে হয়, কেউ যেন রাতে সেখানে বিশ্রাম করেছেন। ওই মন্দিরে ভক্তরা প্রসাদ হিসেবে নিয়ে আসেন শুধু এক বোতল জল। ভক্তদের জন্য ভারতীয় সেনাবাহিনী সেখানে খাওয়া ও বিশ্রামের ব্যবস্থা করে।https://www.newstrend.news/wp-content/uploads/2016/10/baba-harbhajan-newstrend-13.10.16-2.jpg

প্রতিবছর মানুষ ১৪ হাজার ফুট দূরত্বের বাধা কাটিয়ে এই মন্দিরে আসেন।ঠিক এভাবেই ভারত-চীন সীমান্তে সৈন্যদের মনে সাহস যোগান এই মানুষটি।না থেকেও তিনি যেনো সবসময় ভারত-চীন সীমান্তে পাহারা দিয়ে চলেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here